বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১৩ই কার্তিক ১৪২৮
 
কোরবানির চামড়া কেনা নিয়ে শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা
প্রকাশ: ১১:১৪ am ১৯-০৭-২০২০ হালনাগাদ: ১১:২৬ am ১৯-০৭-২০২০
 
 
 


নওগাঁর চামড়া ব্যবসায়ী সাদিক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বেশ সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছেন তিনি তবে তিন বছর ধরে কয়েকটি ট্যানারিতে ৩৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আটকে আছে ।দীর্ঘদিন ধরে তাগাদা দিয়েও পাওনা টাকা আদায় করতে পারছেন না তিন ব্যবসায়িক পুঁজির একটা বড় অংশ আটকে পড়ায় এখন দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

তারা বলছেন, ট্যানারি মালিকদের কাছে প্রায় দুই কোটি টাকার মতো পুঁজি আটকে আছে তাদের। এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রকৃত চামড়া ব্যবসায়ীদের ঋণ দিয়ে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর নওগাঁয় ৮০ হাজারের বেশি গবাদিপশু কোরবানি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার গরু ও বাকি ৪৫ থেকে ৫০ হাজার অন্যান্য গবাদিপশু। আর জেলায় প্রতি বছরের কোরবানি মৌসুমে প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার চামড়া কিনে নেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। জেলার মূল চামড়া ব্যবসায়ী সদস্য সংখ্যা ২২১। এছাড়া ১৫০ জনের মতো নানান ফড়িয়া ও মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী আছেন। তবে এসব চামড়া ব্যবসায়ীর প্রায় সবাই এখন মূলধন হারিয়ে অভাবে দিনাতিপাত করছেন।

চামড়া ব্যবসায়ী সাদিক হোসেন বলেন, গত তিন বছরে কয়েকটি ট্যানারিতে ৩৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আটকে আছে। সামনে কোরবানি। কিন্তু কাছে কোনো টাকা নেই।

নওগাঁ জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর কোরবানিতে স্বল্প মূল্যে চামড়া কিনে তা সংরক্ষণ করে।

পরে চামড়া ব্যবসায়ীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে। অন্যান্য জেলার তুলনায় নওগাঁয় চামড়া খুব একটা নষ্ট হয় না। তিনি বলেন, ট্যানারি মালিকরা চামড়া ব্যবসায়ীদের পাওনা টাকা না দিয়ে তারা ভিন্ন পন্থা অনুসরণ করে। যে জেলায় পাওনাদার আছে সেই জেলায় তারা দ্বিতীয়বার নিজে না গিয়ে অভিনব কায়দায় তাদের লোক পাঠিয়ে চামড়া কিনে।

এভাবেই দেশের চামড়া ব্যবসায়ীদের মূলধন আটকে রেখে তারা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বিভিন্ন ট্যানারির কাছে গত তিন বছরে তার ২৪ লাখ টাকা পাওনা আছেন বলে জানান।



 

 
 

আরও খবর

 
 
 
 
 
 
 
 
©newsofbd24.com